ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

একদিনে মৃত্যু ১ হাজারের বেশি, আক্রান্ত প্রায় ৪ লাখ

বিশ্বজুড়ে করোনায় অব্যাহত আছে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। সম্প্রতি খানিকটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও শুক্রবার বিশ্বজুড়ে খানিকটা বেড়েছে নতুন আক্রান্ত রোগী ও এ রোগে মৃতের সংখ্যা।
শুক্রবার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫০ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১০৮ জনের। এছাড়া এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৮ জন।

করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সোমবার কোভিডজনিত অসুস্থতায় সবেছে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ-মৃত্যুতে শীর্ষে থাকা দেশটিতে এই দিন কোভিডজনিত অসুস্থতায় ভুগে মারা গেছেন ২৫৯ জন; সেই সঙ্গে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ২৩৮ জন।

আর এই দিন দৈনিক সংক্রমণে বিশ্বে শীর্ষে ছিল জাপান। ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জাপানে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ৫৮ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১০৬ জনের।

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান ব্যতীত বিশ্বের আরও যেসব দেশে সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব হলো— রাশিয়া (মৃত ১০৪ জন, নতুন আক্রান্ত ৫৩ হাজার ৫৩৫ জন), ব্রাজিল (মৃত ৯১ জন, নতুন আক্রান্ত ৬ হাজার ৮৬১ জন), অস্ট্রেলিয়া (মৃত ৭২ জন, নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ৩৩৪ জন), দক্ষিণ কোরিয়া (মৃত ৬৮ জন, নতুন আক্রান্ত ২৯ হাজার ৮১ জন) এবং তাইওয়ান (নতুন আক্রান্ত ৪০ হাজার ২৫ জন, মৃত ৪০ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ২১৩ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৫ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন ৪০ হাজার ১৩৮ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬১১ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৭৭ জনের।

এছাড়া গত আড়াই বছরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৫৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭৪ হাজার ২৩৩ জন।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

Up to BDT 650 benefits on New Connection

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy24

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

Nagad-Fifa-WorldCup

ইতিহাসের এই দিনে: ৪ ফেব্রুয়ারি:-২০২৩

google.com, pub-9120502827902997, DIRECT, f08c47fec0942fa0

একদিনে মৃত্যু ১ হাজারের বেশি, আক্রান্ত প্রায় ৪ লাখ

প্রকাশিত সময়: ০৯:৪৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিশ্বজুড়ে করোনায় অব্যাহত আছে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। সম্প্রতি খানিকটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও শুক্রবার বিশ্বজুড়ে খানিকটা বেড়েছে নতুন আক্রান্ত রোগী ও এ রোগে মৃতের সংখ্যা।
শুক্রবার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫০ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১০৮ জনের। এছাড়া এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৮ জন।

করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সোমবার কোভিডজনিত অসুস্থতায় সবেছে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ-মৃত্যুতে শীর্ষে থাকা দেশটিতে এই দিন কোভিডজনিত অসুস্থতায় ভুগে মারা গেছেন ২৫৯ জন; সেই সঙ্গে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ২৩৮ জন।

আর এই দিন দৈনিক সংক্রমণে বিশ্বে শীর্ষে ছিল জাপান। ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জাপানে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ৫৮ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১০৬ জনের।

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান ব্যতীত বিশ্বের আরও যেসব দেশে সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব হলো— রাশিয়া (মৃত ১০৪ জন, নতুন আক্রান্ত ৫৩ হাজার ৫৩৫ জন), ব্রাজিল (মৃত ৯১ জন, নতুন আক্রান্ত ৬ হাজার ৮৬১ জন), অস্ট্রেলিয়া (মৃত ৭২ জন, নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ৩৩৪ জন), দক্ষিণ কোরিয়া (মৃত ৬৮ জন, নতুন আক্রান্ত ২৯ হাজার ৮১ জন) এবং তাইওয়ান (নতুন আক্রান্ত ৪০ হাজার ২৫ জন, মৃত ৪০ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ২১৩ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৫ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন ৪০ হাজার ১৩৮ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬১১ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৭৭ জনের।

এছাড়া গত আড়াই বছরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৫৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭৪ হাজার ২৩৩ জন।

নিউজবিজয়/এফএইচএন