এরশাদের কবর রংপুরে চায় এলাকাবাসী

ঢাকা: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রবিবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দীর্ঘ ৯ বছর আঁকড়ে থাকার পর নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। এর পরেও নানাভাবে আলোচিত ছিলেন সাবেক এই সেনা প্রধান।

এদিকে এরশাদের মৃত্যুতে মুষড়ে পড়েছে রংপুরের জাতীয় পার্টি। তারওপর প্রিয় নেতার অন্তিম সমাধি রংপুরে না হওয়ার খবরে কষ্ট রুপ পেয়েছে ক্ষোভে।

সকাল ৭টা ৪৫ এ মারা গেলেও কিছুটা বিলম্বে গণমাধ্যমে আসে এরশাদের মৃত্যুর খবর। প্রিয় নেতার অন্তিম যাত্রার এই খবরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে নেতাকর্মীরা। ছুটে আসে দলীয় কার্যালয়ে। যাদের কারও কাছে পিতা, কারও কাছে আদর্শিক নেতা আবার কারও কাছে ছিলেন গীতি কবি।

সুদিনে না হলেও দুর্দিনে পাশে ছিলো রংপুরের মানুষ। রংপুরের মানুষের ভালোবাসায় কিংবদন্তী হয়েছেন এরশাদ। তার অন্তিম শয়ন রংপুরে হবে না, মানতে পারছে না মানুষ।

এরশাদের কবর নিয়ে নিজেদের অবষ্থান সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছেন মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও রংপুর সিটির মেয়র মোস্তফা।

রংপুর সিটি করপোরেশ মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, ‘রংপুর যেহেতু এরশাদের স্মৃতি বিজড়িত। তাই আমরা সকলেই চাই তাকে যেনো রংপুরেই কবর দেওয়া হয়।’

মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর রংপুর ঈদগাহ ময়দানে তার জানাযা হবার কথা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Right Menu Icon