August 9, 2022, 11:53 am

ঐক্যফ্রন্টের ১৬ প্রার্থী কারাগারে, ১৩টি আসন শূন্য

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ডিসেম্বর ২১, ২০১৮,
  • 0 Time View

বিজয় ডেস্ক :  ঢাকা : বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে এই মুহুর্তে ধানের শীষের ১৬জন প্রার্থী কারাগারে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩টি নির্বাচনি এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থিতা শূন্য হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শুক্রবার বিকেলে প্রিতম-জামান টাওয়ারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ড. কামাল হোসেনের সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনের সই করা লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান গণফোরামের সহসভাপতি জগলুল হায়দার আফ্রিক। এরপরে ড. কামাল হোসেন মৌখিক বক্তব্যের পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে দুই দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের নির্বাচনি আসনগুলোতে একই সময় জনসভা ও গণমিছিল এবং ২৭ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা।

জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না দিলে দেশে মহা সঙ্কটের সৃষ্টি হবে মন্তব্য করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এখনও সামনে সাত দিন সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে বিরোধী নেতাকর্মীদের হয়রানি গ্রেপ্তার বন্ধ করে, প্রচার প্রচারণার সমান সুযোগ দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন। তা না করে ভাওতাবাজির নির্বাচন করলে তা কেউ মেনে নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির তথ্য তুলে ধরে ড. কামাল বলেন, ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা বলছে এভাবে পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া, পুলিশ ও সরকারি দল মিলে যারা ভোট চাইতে যাচ্ছে তাদের ওপর আক্রমণ করা আর হয়নি । এমন আর দেখিনি। কল্পনা করাও যায় না। তিনি বলেন, পরিবেশকে যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

এটা যেন অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। না হলে সংবিধান লঙ্ঘণ করার অপরাধ হবে। সংবিধানকে ভঙ্গ করার অপরাধ হবে। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুযোগ না দেয়া হলে যারা নির্বাচিত দাবি করবে তাদের কোনভাবেই নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যাবে না। তখন মহা সঙ্কট সৃষ্টি হবে। জনগণ দেশের ক্ষমতার মালিক।

তাদের ভোট দিতে না দেয়া স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এই আঘাত মেনে নেয়া যায় না। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাথা ঠিক করেন। মাথা ঠান্ডা করেন। মাথা সুস্থ করেন। ইলেকশনে জিততে হবে। এভাবে ভাওতাবাজি করে জিতবেন, এটাকে জিতা বলে না। মানুষের সঙ্গে ভাওতাবাজি করা, মানুষের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা সংবিধান লঙ্ঘণ। যেটা করা হচ্ছে, যতো স্বৈরাচারি সরকার এ পর্যন্ত এসেছে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। তাই আপনাদেরকে ভালভাবে বলছি, সাত দিন আছে। এসব বন্ধ করুন। বন্ধ না হলে জনগণ নির্বাচন মেনে নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
themesbanewsbijo41