ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কাউনিয়ায় গৃহবধূর নগ্ন ভিডিও ধারন করে ধর্ষণ, ভুয়া এসআই গ্রেফতার

রংপুরের কাউনিয়ায় নগ্ন ভিডিও ধারন করে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল রানা (২৭) নামে এক ভুয়া এসআইকে (উপপরিদর্শক) গ্রেফতার করেছে আরপিএমপি হারাগাছ থানা পুলিশ। বুধবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তাকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হারাগাছ পৌরসভার বানুপাড়া কলেজ মাঠ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সোহেল রানা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারি ইউনিয়নের ছিরাগাওচুলকা গ্ৰামের ফজলুর রহমানের ছেলে। মামলার বাদী ওই গৃহবধূ জানান, প্রায় দুই বছর আগে মুঠোফোনে পরিচয় হয় সোহেলের সঙ্গে। এসময় নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দেন সোহেল। মুঠোফোনে কথা বলার একপর্যায়ে সোহেলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়। এসময় মুঠোফোনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিডিও কলে ওই নারীর (গৃহবধূর) নগ্ন ভিডিও ধারন করেন সোহেল। এরপর নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারন করে রাখেন সোহেল। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সোহেল হাতীবান্ধা থেকে হারাগাছে আসেন এবং ধর্ষণের ভিডিও পরিবারের কাছে দেখানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে নিজ বাড়িতেই ধর্ষণ করেন। এরপর গত সোমবার (৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে আবারও হারাগাছে গিয়ে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সোহেল। এসময় তার চিৎকারে পাশের ঘর থেকে স্বামী বের হয়ে এসে সোহেলকে আটক করেন। পরে পৌর কাউন্সিলরের পরামর্শে আটক সোহেলকে মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান কবির বলেন, সোহেল নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে ওই নারীর সাথে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বলে বাদী জানিয়েছে। তবে সোহেল কোন এসআই নয়। সে ভুয়া পরিচয় দিয়েছিল কিনা তদন্তে জানা যাবে। তাকে গ্রেফতারের পর বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া শারীরিক পরীক্ষার জন্য মামলার বাদীকে মঙ্গলবার রাতে রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় অবস্থিত ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে সোহেল রানাকে আসামি করে শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধর্ষণ ও পর্ণগ্ৰাফি ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। এরপর সোহেলকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy24

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

Nagad-Fifa-WorldCup

কুড়িগ্রামে চালু হলো এক টাকার রেস্টুরেন্ট

google.com, pub-9120502827902997, DIRECT, f08c47fec0942fa0

কাউনিয়ায় গৃহবধূর নগ্ন ভিডিও ধারন করে ধর্ষণ, ভুয়া এসআই গ্রেফতার

প্রকাশিত সময়: ০৭:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২

রংপুরের কাউনিয়ায় নগ্ন ভিডিও ধারন করে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল রানা (২৭) নামে এক ভুয়া এসআইকে (উপপরিদর্শক) গ্রেফতার করেছে আরপিএমপি হারাগাছ থানা পুলিশ। বুধবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তাকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হারাগাছ পৌরসভার বানুপাড়া কলেজ মাঠ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সোহেল রানা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারি ইউনিয়নের ছিরাগাওচুলকা গ্ৰামের ফজলুর রহমানের ছেলে। মামলার বাদী ওই গৃহবধূ জানান, প্রায় দুই বছর আগে মুঠোফোনে পরিচয় হয় সোহেলের সঙ্গে। এসময় নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দেন সোহেল। মুঠোফোনে কথা বলার একপর্যায়ে সোহেলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়। এসময় মুঠোফোনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিডিও কলে ওই নারীর (গৃহবধূর) নগ্ন ভিডিও ধারন করেন সোহেল। এরপর নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারন করে রাখেন সোহেল। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সোহেল হাতীবান্ধা থেকে হারাগাছে আসেন এবং ধর্ষণের ভিডিও পরিবারের কাছে দেখানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে নিজ বাড়িতেই ধর্ষণ করেন। এরপর গত সোমবার (৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে আবারও হারাগাছে গিয়ে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সোহেল। এসময় তার চিৎকারে পাশের ঘর থেকে স্বামী বের হয়ে এসে সোহেলকে আটক করেন। পরে পৌর কাউন্সিলরের পরামর্শে আটক সোহেলকে মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান কবির বলেন, সোহেল নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে ওই নারীর সাথে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বলে বাদী জানিয়েছে। তবে সোহেল কোন এসআই নয়। সে ভুয়া পরিচয় দিয়েছিল কিনা তদন্তে জানা যাবে। তাকে গ্রেফতারের পর বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া শারীরিক পরীক্ষার জন্য মামলার বাদীকে মঙ্গলবার রাতে রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় অবস্থিত ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে সোহেল রানাকে আসামি করে শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধর্ষণ ও পর্ণগ্ৰাফি ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। এরপর সোহেলকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজবিজয়/এফএইচএন