ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ক্ষতিপুরণের দাবিতে জমির মালিকদের মানববন্ধন

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বুড়ি তিস্তা নদী পুনঃ খননে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির প্রায় চার শতাধিক ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সারে ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নদীর জমি দ্রুত অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরন প্রদানের দাবিতে ক্ষতিগ্রস্তরা মানববন্ধন করেছেন। আজ (১৮ অক্টোবর) মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উলিপুর উপজেলা সদরের কেন্দ্রস্থল মসজিদুল হুদার সামনে কুড়িগ্রাম-উলিপুর সড়কে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ মানববন্ধনে অংশ নেন। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের দাবি সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে হাতে হাত রেখে বিশাল মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে গোলাম মোহাম্মদ সরওয়ার্দী,আবদুল হাই সরকার ও নূর ইসলাম শেখ সহ আরো অনেকে । বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন মৌজা দিয়ে প্রবাহিত বুড়িতিস্তা নদীটি ২০১৯ সালে সরকারের ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পূণঃ খনন (১ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নিয়োজিত ঠিকাদার বুড়িতিস্তা নদী পুনঃখননে কাজ শুরু করেন। অনেকের দাবি ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি হওয়ায় পূণঃ খনন কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে,জেলার উলিপুর ও চিলমারি উপজেলার বিভিন্ন মৌজা দিয়ে প্রবাহিত মোট ৩১.৫০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বুড়িতিস্তা নদীর প্রায় ১৯ কিলোমিটার তৎকালীন সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করেন। এবং জমির প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করে বুড়িতিস্তা নদী পূণঃ খনন করেন।
এরপর থেকে অবশিষ্ট ১২.৫০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বুড়িতিস্তা নদী ব্যক্তি মালিকানাধীনই থেকে যায়। দীর্ঘদিন পর গত ২০১৯ সালে বর্তমান সরকার জমি অধিগ্রহণ না করেই নদীটি পূণঃখনন করায় প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক পরিবার মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, মালিকানাধীন জমি খনন করার তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখনো তা অধিগ্রহণ করা কিংবা ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যাবস্থা করা হয়নি। উল্টো ব্রিটিশ আমল থেকে মালিকানাধীন এসব সম্পত্তির খতিয়ানভুক্ত মালিক গণ এখনো যথারীতি বাংলাদেশ সরকারকে ভূমি কর দিয়ে আসছে।
বক্তারা অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং উল্লেখিত পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করে প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য জোর দাবি জানান।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধুর হবু স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ; ইমাম, শিক্ষক, ছাত্র গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ক্ষতিপুরণের দাবিতে জমির মালিকদের মানববন্ধন

প্রকাশিত সময়: ০৫:১২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বুড়ি তিস্তা নদী পুনঃ খননে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির প্রায় চার শতাধিক ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সারে ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নদীর জমি দ্রুত অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরন প্রদানের দাবিতে ক্ষতিগ্রস্তরা মানববন্ধন করেছেন। আজ (১৮ অক্টোবর) মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উলিপুর উপজেলা সদরের কেন্দ্রস্থল মসজিদুল হুদার সামনে কুড়িগ্রাম-উলিপুর সড়কে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ মানববন্ধনে অংশ নেন। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের দাবি সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে হাতে হাত রেখে বিশাল মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে গোলাম মোহাম্মদ সরওয়ার্দী,আবদুল হাই সরকার ও নূর ইসলাম শেখ সহ আরো অনেকে । বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন মৌজা দিয়ে প্রবাহিত বুড়িতিস্তা নদীটি ২০১৯ সালে সরকারের ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পূণঃ খনন (১ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নিয়োজিত ঠিকাদার বুড়িতিস্তা নদী পুনঃখননে কাজ শুরু করেন। অনেকের দাবি ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি হওয়ায় পূণঃ খনন কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে,জেলার উলিপুর ও চিলমারি উপজেলার বিভিন্ন মৌজা দিয়ে প্রবাহিত মোট ৩১.৫০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বুড়িতিস্তা নদীর প্রায় ১৯ কিলোমিটার তৎকালীন সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করেন। এবং জমির প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করে বুড়িতিস্তা নদী পূণঃ খনন করেন।
এরপর থেকে অবশিষ্ট ১২.৫০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বুড়িতিস্তা নদী ব্যক্তি মালিকানাধীনই থেকে যায়। দীর্ঘদিন পর গত ২০১৯ সালে বর্তমান সরকার জমি অধিগ্রহণ না করেই নদীটি পূণঃখনন করায় প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক পরিবার মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, মালিকানাধীন জমি খনন করার তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখনো তা অধিগ্রহণ করা কিংবা ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যাবস্থা করা হয়নি। উল্টো ব্রিটিশ আমল থেকে মালিকানাধীন এসব সম্পত্তির খতিয়ানভুক্ত মালিক গণ এখনো যথারীতি বাংলাদেশ সরকারকে ভূমি কর দিয়ে আসছে।
বক্তারা অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং উল্লেখিত পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করে প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য জোর দাবি জানান।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন