চবি ছাত্রলীগের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

বিজয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশের সঙ্গে অবরোধ কর্মসূচি পালনকারী ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এদিকে ছাত্রলীগ কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে।

ছয় ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা প্রত্যাহার, প্রক্টরের পদত্যাগসহ চারদফা দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। আজ রবিবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অবরোধের শুরুতেই শাটল ট্রেন আটকে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে শাটল ট্রেনের কয়েকটি বগির হোস পাইপ কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুপুরে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের আহ্বানে সাড়া দেয়নি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

পরে পুলিশ এসে তাদের উঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে অবরোধকারী ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মূল ফটক থেকে সরে ছাত্রলীগ কর্মীরা শাহ আমানত ও সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে অবস্থান করছে। সেখান থেকেই তারা পুলিশের উদ্দেশে ইটপাটকেল ছুড়ছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, শাটল ট্রেনের চলাচল আপাতত বন্ধ রয়েছে।

ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ছয় ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দেয়া হয়। অস্ত্র মামলায় কারাগারে থাকা ছয় ছাত্রলীগ কর্মীর মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার, ২০১৫ সাল থেকে সকল রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাংগীরের প্রত্যাহার ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.