ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নভেম্বরে বন্ধ হচ্ছে ৩০ লাখ মোবাইল সিম

আগামী নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নেয়া যায়। তবে নিজ নামে ৩০টিরও বেশি সিম নিবন্ধন করেছেন অনেকে। এমন সাত লাখ গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। যেসব সিম গ্রাহক বন্ধ করবে তার তালিকা কাস্টমার কেয়ারে দিতে বলা হয়েছে। গত ২০১৬ সালের জুনে একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২০টি সিম কার্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয় বিটিআরসি। এক বছর পরই তা সংশোধন করে এ সংখ্যা ১৫টিতে নির্ধারণ করা হয়। তবে এ নিয়ম শতভাগ প্রয়োগ করতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সম্প্রতি দেশের ১৮ কোটি ৪০ লাখ মোবাইল সংযোগ ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বিটিআরসি। এতে দেখা গেছে, সাত লাখ ২৩ হাজার গ্রাহক নির্ধারিত সংখ্যার চেয়েও অতিরিক্ত প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫৭ গ্রাহকের কাছেই রয়েছে অতিরিক্ত ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯৩টি সিম! শনাক্ত শেষে এবার এসব সিম বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার দেয়া তালিকা ধরে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। চলতি মাসের (১৫ অক্টোবর) পর্যন্ত গ্রাহকরা কোন সিম বন্ধ বা চালু রাখবেন তা বাছাই করার সুযোগ পাবেন। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সময় দিয়েছিল বিটিআরসি গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য; সে অনুসারে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা কিন্তু তৎপর, যাতে যেই গ্রাহকই থাকুন না কেন তারা যেন কোয়ালিটি সাবস্ক্রাইবার থাকেন।’গ্রাহক কাস্টমার কেয়ারে গেলে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করবেন সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটররা। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সাড়া না দিলে নিজ উদ্যোগে সিম বন্ধ করবে বিটিআরসি। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘শেষ কোন মোবাইল সিম ব্যবহার হয়েছে সেটা পর্যবেক্ষণ করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
তবে যাদের সিম কেনার করপোরেট অনুমতি আছে তারা এ নিষ্ক্রিয়করণের আওতার বাইরে থাকবেন বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

নিউজ বিজয়/মোঃ নজরুল ইসলাম

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy24

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

Nagad-Fifa-WorldCup

কুড়িগ্রামে চালু হলো এক টাকার রেস্টুরেন্ট

google.com, pub-9120502827902997, DIRECT, f08c47fec0942fa0

নভেম্বরে বন্ধ হচ্ছে ৩০ লাখ মোবাইল সিম

প্রকাশিত সময়: ০৩:০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২

আগামী নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নেয়া যায়। তবে নিজ নামে ৩০টিরও বেশি সিম নিবন্ধন করেছেন অনেকে। এমন সাত লাখ গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। যেসব সিম গ্রাহক বন্ধ করবে তার তালিকা কাস্টমার কেয়ারে দিতে বলা হয়েছে। গত ২০১৬ সালের জুনে একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২০টি সিম কার্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয় বিটিআরসি। এক বছর পরই তা সংশোধন করে এ সংখ্যা ১৫টিতে নির্ধারণ করা হয়। তবে এ নিয়ম শতভাগ প্রয়োগ করতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সম্প্রতি দেশের ১৮ কোটি ৪০ লাখ মোবাইল সংযোগ ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বিটিআরসি। এতে দেখা গেছে, সাত লাখ ২৩ হাজার গ্রাহক নির্ধারিত সংখ্যার চেয়েও অতিরিক্ত প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫৭ গ্রাহকের কাছেই রয়েছে অতিরিক্ত ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯৩টি সিম! শনাক্ত শেষে এবার এসব সিম বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার দেয়া তালিকা ধরে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। চলতি মাসের (১৫ অক্টোবর) পর্যন্ত গ্রাহকরা কোন সিম বন্ধ বা চালু রাখবেন তা বাছাই করার সুযোগ পাবেন। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সময় দিয়েছিল বিটিআরসি গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য; সে অনুসারে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা কিন্তু তৎপর, যাতে যেই গ্রাহকই থাকুন না কেন তারা যেন কোয়ালিটি সাবস্ক্রাইবার থাকেন।’গ্রাহক কাস্টমার কেয়ারে গেলে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করবেন সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটররা। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সাড়া না দিলে নিজ উদ্যোগে সিম বন্ধ করবে বিটিআরসি। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘শেষ কোন মোবাইল সিম ব্যবহার হয়েছে সেটা পর্যবেক্ষণ করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
তবে যাদের সিম কেনার করপোরেট অনুমতি আছে তারা এ নিষ্ক্রিয়করণের আওতার বাইরে থাকবেন বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

নিউজ বিজয়/মোঃ নজরুল ইসলাম