ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সংসারে অর্থসম্পদ বৃদ্ধির আশায়

নরবলি! নবরাত্রিতে কিশোরী কন্যাকে ‘উৎসর্গ’ বাবা মায়ের

  • অনলাইন ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময়: ১২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২
  • 135

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

কেরলের পর এ বার নরবলির অভিযোগ গুজরাতে ৷ গির সোমনাথ জেলার ধারা গির গ্রামের এক পরিবারের বিরুদ্ধে নৃশংস এ অভিযোগ ৷ ওই পরিবারের ১৪ বছরের কিশোরীকে নবরাত্রিতে বলি দেওয়া হয়েছে, সংসারের মঙ্গলকামনায়৷ নবরাত্রি চলাকালীন গত ৩ অক্টোবর ওই পরিবার তাঁদের কন্যাসন্তানকে উৎসর্গ করেছে দেবতার পায়ে৷ কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল, এতে পরিবারে অর্থ ও ধনসম্পদ বৃদ্ধি পাবে ৷ এই রহস্যজনক মৃত্যু পঞ্চায়েতে নথিভুক্ত করানোও হয়নি ৷ গ্রামবাসীরা জানান, মাঝরাতে বলি দেওয়ার পর পরিবারের খামারবাড়ি লাগোয়া জমিতে দাহ করা হয় কিশোরীকে ৷ গির সোমনাথ জেলার পুলিশ সুপার মনোহর সিং জাদেজা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কিশোরীর রহস্যমৃত্যুতে অভিযুক্ত তার বাবা মা ৷ অভিযুক্তদের খামাবাড়ি থেকে ছাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশ ৷ করা হবে ফরেন্সিক পরীক্ষা ৷ পুলিশ সূ্ত্রে জানা গেছে, জেরার সময় মৃত কিশোরীর বাবা ভবেশ আকাবারি বার বার তাঁর বয়ান পরিবর্তন করেছেন ৷ পুলিশ জানিয়েছে ফরেন্সিক পরীক্ষার ফল এলে এই ঘটনায় অনেক ধোঁয়াশা দূর হবে ৷ জানা গেছে ৬ মাস আগেও সুরাত থেকে ওই কিশোরী পড়াশোনা করত ৷ ওই শহরে ভবেশের ব্যবসাও ছিল ৷ পরে অজ্ঞাত কারণে মেয়েকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে গ্রামে নিয়ে চলে আসেন ভবেশ ৷ গ্রামে আনার পর মেয়েকে তিনি রেখেছিলেন খামারবাড়িতেই ৷ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই আস্তানাতেই গত ৩ অক্টোবর বলি দেওয়া হয় কিশোরীকে ৷ তার বাবা মায়ের বিশ্বাস ছিল, তাদের কন্যাসন্তান আবার বেঁচে উঠবে ৷ সেই আশায় চার দিন ধরে মেয়ের দেহ সৎকার না করে রেখে দেওয়া হয়েছিল ৷ শেষে আর কোনও আশা নেই বুঝে অল্প কয়েক জন পরিজনের উপস্থিতিতে দাহ করা হয় কিশোরীকে ৷ এই সব ঘটনাপ্রবাহে সন্দেহ তীব্র হয় গ্রামবাসীদের ৷ তার পরই তাঁরা পুলিশে খবর দেন ৷ সুত্র-NEWS18 BANGLA

নিউজ বিজয়/মোঃ নজরুল ইসলাম

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজুড়ে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

সংসারে অর্থসম্পদ বৃদ্ধির আশায়

নরবলি! নবরাত্রিতে কিশোরী কন্যাকে ‘উৎসর্গ’ বাবা মায়ের

প্রকাশিত সময়: ১২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২

কেরলের পর এ বার নরবলির অভিযোগ গুজরাতে ৷ গির সোমনাথ জেলার ধারা গির গ্রামের এক পরিবারের বিরুদ্ধে নৃশংস এ অভিযোগ ৷ ওই পরিবারের ১৪ বছরের কিশোরীকে নবরাত্রিতে বলি দেওয়া হয়েছে, সংসারের মঙ্গলকামনায়৷ নবরাত্রি চলাকালীন গত ৩ অক্টোবর ওই পরিবার তাঁদের কন্যাসন্তানকে উৎসর্গ করেছে দেবতার পায়ে৷ কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল, এতে পরিবারে অর্থ ও ধনসম্পদ বৃদ্ধি পাবে ৷ এই রহস্যজনক মৃত্যু পঞ্চায়েতে নথিভুক্ত করানোও হয়নি ৷ গ্রামবাসীরা জানান, মাঝরাতে বলি দেওয়ার পর পরিবারের খামারবাড়ি লাগোয়া জমিতে দাহ করা হয় কিশোরীকে ৷ গির সোমনাথ জেলার পুলিশ সুপার মনোহর সিং জাদেজা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কিশোরীর রহস্যমৃত্যুতে অভিযুক্ত তার বাবা মা ৷ অভিযুক্তদের খামাবাড়ি থেকে ছাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশ ৷ করা হবে ফরেন্সিক পরীক্ষা ৷ পুলিশ সূ্ত্রে জানা গেছে, জেরার সময় মৃত কিশোরীর বাবা ভবেশ আকাবারি বার বার তাঁর বয়ান পরিবর্তন করেছেন ৷ পুলিশ জানিয়েছে ফরেন্সিক পরীক্ষার ফল এলে এই ঘটনায় অনেক ধোঁয়াশা দূর হবে ৷ জানা গেছে ৬ মাস আগেও সুরাত থেকে ওই কিশোরী পড়াশোনা করত ৷ ওই শহরে ভবেশের ব্যবসাও ছিল ৷ পরে অজ্ঞাত কারণে মেয়েকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে গ্রামে নিয়ে চলে আসেন ভবেশ ৷ গ্রামে আনার পর মেয়েকে তিনি রেখেছিলেন খামারবাড়িতেই ৷ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই আস্তানাতেই গত ৩ অক্টোবর বলি দেওয়া হয় কিশোরীকে ৷ তার বাবা মায়ের বিশ্বাস ছিল, তাদের কন্যাসন্তান আবার বেঁচে উঠবে ৷ সেই আশায় চার দিন ধরে মেয়ের দেহ সৎকার না করে রেখে দেওয়া হয়েছিল ৷ শেষে আর কোনও আশা নেই বুঝে অল্প কয়েক জন পরিজনের উপস্থিতিতে দাহ করা হয় কিশোরীকে ৷ এই সব ঘটনাপ্রবাহে সন্দেহ তীব্র হয় গ্রামবাসীদের ৷ তার পরই তাঁরা পুলিশে খবর দেন ৷ সুত্র-NEWS18 BANGLA

নিউজ বিজয়/মোঃ নজরুল ইসলাম