ফুলবাড়ীর রেলক্রসিং এর দুই ধারের রেলওয়ের জায়গা দখল

দিনাজপুর থেকে সিদ্দিক হোসেন : ফুলবাড়ী রেলক্রোসিং এর দুই ধারের রেলওয়ের জায়গা দখল। বিভিন্ন যানবাহন পারাপারে দূর্ঘটনা ঘটার আশংঙ্কা। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন থেকে উত্তরে মাত্র ৩ হাজার ফিট দুরে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রোসিংটি। সেখানে গেটম্যান থাকলেও দূর্ঘটনা হওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। এই ক্রোসিং দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন রংপুর, মধ্যপাড়া, স্বপ্নপুরী ও বড়পুকুরিয়া হয়ে পার্বতীপুর যাতায়াত করে। কিন্তু ফুলবাড়ী রেলক্রোসিং ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি রেলক্রোসিং দুটিতে গেটম্যান থাকলেও তারা কতটুক দায়িত্ব পালন করছে তা তদারক করার কেউ নেই। ফলে রেলক্রোসিং দুটি অরোক্ষীত রয়েছে। দুটি রেলক্রোসিং এলাকায় রেলক্রোসিং থেকে মিনিমাম ১ শত ফিট দূরত্বে পাকা দালান কোঠা করার নিয়ম থাকলেও রেলওয়ে ভূমি প্রশাসন থেকে জমি লিজ নিয়ে দখলদারেরা ইচ্ছা মত পাকা দালান কোঠা নির্মান করে ব্যবসা বানিজ্য করছে। কোন দূর্ঘটনা ঘটলে রেলক্রোসিং সংলগ্ন এলাকায় নির্মানকৃত দোকানপাট ও যানবাহনের ক্ষতি সাধন হবে এমনকি জীবন হানীও ঘটতে পারে। সেদিকে কেউ লক্ষ না রেখে অনেকে তার ইচ্ছামত ঘর নির্মান করেছে। অপর দিকে যানবাহন গুলি চলাচল করছেএকে অপরকে ক্রোসিং করতে পারছে না দুই ধারের জায়গায় দোকানপাট গড়ে তোলার কারনে। পাশে কোন জায়গা নেই যে যানবাহনগুলি চলাচল করবে। অনেক সময় ট্রেন চলে এলে পূর্ব এবং পশ্চিমে রেলক্রোসিং এর দুই দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়। গত ২০১৭ সালে বড়পুকুরিয়া রেলক্রোসিং এলাকায় পর পর দুই বার দূঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত হন ও একজন মারাত্মক আহত হন। সেখানেও রেলক্রোসিং এর দুই ধারে রেলওয়ের জায়গা লিজ নিয়ে পাকা দালানকোঠা নির্মান করে ব্যবসা করছেন লোকজন। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চল ভূমি বিভাগ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে তারা ইচ্ছামত রেলওয়ের জায়গা লিজ দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রেলক্রোসিং গুলিকে নিরাপত্তায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রেলওয়ে মন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.