বাবা-মায়ের পাশেই পাশেই শায়িত টেলি সামাদ

বিজয় ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্র অভিনেতা টেলি সামাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগাঁওয়ে পারিবারিক কবরাস্থানে তাকে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়। বেলা ৩ টার দিকে টেলিসামাদের লাশবাহী এম্বুলেন্স তার জন্মস্থান নয়াগাঁওয়ে পৌঁছে এবং বাদ আসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ৫ম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বঙ্গবন্ধুর চীফ সিকিউরিটি অফিসার ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় টেলি সামাদের প্রিয় কর্মস্থল ঢাকায় এফডিসি প্রাঙ্গণে তার ৪র্থ নামাজে জানাজা হয়। পরে সেখান থেকে লাশবাহী এম্বুলেন্স মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। শনিবার বাদ মাগরিব ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে আব্দুস সামাদের (টেলি সামাদ) প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে বাদ এশা তার লাশ ঢাকার বাসভবন ইন্দিরা রোডের পশ্চিম রাজাবাজার জামে মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মগবাজার তৃতীয় নামাযে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর লাশ নিয়ে আসা হয় তার ইন্দিরা রোডের বাসভবনে। সেখান থেকে আজ সকালে তার লাশ নেওয়া হয় এফডিসিতে।

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন আব্দুস সামাদ (টেলি সামাদ)। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে অসুস্থ অবস্থায় স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। শনিবার দুপুর দেড়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র ও ২ কন্যাসহ বহু আত্নীয় স্বজন রেখে গেছেন।

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকন্ঠ নয়াগাঁও এলাকার কৃতি সন্তান তিনি। সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠা টেলি সামাদ বড় ভাই বিখ্যাত চারুশিল্পী আব্দুল হাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। সংগীতেও রয়েছে এই গুণী অভিনেতার পারদর্শিতা। ‘মনা পাগলা’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। ১৯৭৩ সালে ‘কার বউ’ দিয়ে তার চলচ্চিত্রে পা রাখা। চার দশকে ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Right Menu Icon