August 9, 2022, 11:40 am

“সংবাদ সম্মেলনে” প্রধানমন্ত্রী ৬১ টাকার গ্যাস ৯ টাকায় বিক্রি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ৮, ২০১৯,
  • 0 Time View

বিজয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গ্যাসের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি জনগণকে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেছেন, প্রতি ঘন মিটার এলএনজি আমদানিতে ৬১.১২ টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু ব্যাপক ভর্তুকি দিয়ে তা প্রতি ঘন মিটার মাত্র ৯.৮ টাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পরও ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এরপরও আন্দোলন? তাহলে যে দামে ক্রয় করছি, সেই দামেই বিক্রি করি।

সোমবার (৮ জুলাই) বিকেলে চীন সফর নিয়ে সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা শুধু আমাদের দেশে না, বিদেশেও যখন এলএনজি আমদানি করা হয় তখন দাম বৃদ্ধি করে। তখন তারা মেনেও নেয়। আমাদের হয়তো এত বড় সমস্যায় পড়তে হতো না। আপনাদের মনে আছে ২০০০ সালে আমার কাছে প্রস্তাব এসেছিল, আমাদের দেশের গ্যাস বিক্রি করার। কিন্তু আমি রাজি হইনি। সেটার খেসারত দিতে হয়েছিল। আমি ভোট বেশি পেয়েও ক্ষমতায় আসতে পারিনি। আর খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়েছিল ক্ষমতায় আসলে গ্যাস বিক্রি করবে। আমরা কেন গ্যাস বিক্রি করব? আমাদের নিজেদের প্রয়োজনীয় গ্যাস আমরা ব্যবহার করব। আমরা রিজার্ভ রাখব। তারপর যদি থাকে বিক্রির চিন্তা করব। আগে কত গ্যাস আছে তা আমাকে জানতে হবে। আমি সে সময় যে ভবিষ্যৎবাণী করেছি সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে আমাকে শিল্পায়ন করতে হবে; বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে, সার উৎপাদন করতে হবে, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে হবে, অর্থনীতির উন্নতি করতে হবে। আমাকে এলএনজি আমদানি করতে হয়। এটা আমাদানি করতে আমার কত টাকা খরচ হয়, সে হিসাবটা আগে জানতে হবে। আমাদের প্রতি ঘনমিটার এলএনজি আমদানিতে খরচ পড়ে ৬১.১২ টাকা। আর আমরা দিচ্ছি ৯.৮ টাকায়। তাহলে আমরা কী পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারকে সম্মত করতে চেষ্টা করবে বলে চীন আমাকে আশ্বস্ত করেছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেন, রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের সমস্যা। তিনি উল্লেখ করেন চীন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুইবার মিয়ানমারে পাঠিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে তারা আবারও মন্ত্রীকে মিয়ানমারে পাঠাবে। চীন রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তরিক বলেও জানান তিনি।

আমি উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করি। রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে এই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হাতে পারে বলে আমি উল্লেখ করি। তারা আমার কথা শুনে সমস্যা সমাধানের চেষ্টার কথা বলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ জুলাই ৫ দিনের সরকারি সফরে ঢাকা থেকে চীনে পৌঁছান। ৬ জুলাই দেশে ফিরে আসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
themesbanewsbijo41