সাদুল্যাপুরে কর্তাদের কাছে ধর্না দিয়েও জোটেনি হুইল চেয়ার, মেলেনি ভাতাকার্ড

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: অতিদরিদ্র পরিবারের শিশুকন্যা শারীরিক প্রতিবন্ধী জান্নাতী খাতুন। বয়স সবেমাত্র ৬ বছর। জন্ম থেকেই তার দু’পা অতি চিকন, বাঁকা ও দুর্বল। নিজের পায়ে ভর দিয়ে চলতে পারেনা সে। অর্থাৎ যাকে বলা হয় শারিরীক প্রতিবন্ধী। বাবা হেলাল মিয়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তাদের কাছে ধর্না দিয়েও জোটাতে পারেননি প্রতিবন্ধী শিশুকন্যার জন্য একটি হুইলচেয়ার অথবা একটি ভাতাকার্ড।

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের রিক্সাভ্যান চালক হেলাল মিয়ার বসতভিটা ছাড়া কোনো সম্পদ নেই। স্ত্রী পারভীন বেগম প্রতিবন্ধী শিশুকন্যার চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে অন্যের বাড়িতে ঝি’র কাজ করেন। প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসা ও পূণর্বাসনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নানা কর্মসূচী থাকলেও শিশুকন্যা জান্নাতি খাতুন সেইসব সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ইদানিং মেয়েটির শরিরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছে। দিন দিন অবস্থার অবনতি ঘটছে তার। সাংবাদিক তোফায়েল হোসেন জাকিরের স্বচিত্র প্রতিবেদনে শিশুর পিতা হেলাল মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিশুকন্যার জন্য একটি হুইলচেয়ার ও ভাতা সুবিধা পাওয়ার আশায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তাদের কাছে দিনের পর দিন ধর্না দিয়েও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। ভাগ্যে জোটেনি একটি হুইলচেয়ার কিংবা প্রতিবন্ধী ভাতাকার্ড’।

ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের বরাদ্দের চেয়ে চাহিদা বেশী হওয়ায় জান্নাতিকে ভাতা কার্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি’। বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন শিশু আমাদের সমাজের প্রতিবন্ধি শিশুটির পাশে দাড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট আকুল আবেদন করছি। একটু সহানুভুতি প্রদান করে অসহায়কে সহায়তা করুন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Right Menu Icon