ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সুপারফুড পেরিলার চাষ হচ্ছে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

পেরিলা তেল বীজ জাতীয় ফসল। দেখতে অনেকটা শর্ষের বীজের মতো।দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জাপান, নেপাল, ভিয়েতনাম পেরিলার চাষ হয়।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর এলাকায় ১২ একর জমিতে এর চাষ করছেন স্থানীয় যুবক সৈয়দ রোকনুজ্জামান। গত মৌসুমে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ১০ একর জমি বর্গা নিয়ে প্রথম বারের মতো পেরিলার চাষ করেছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের শুরুতে ফসল সংগ্রহ করবেন। ১২ একর জমি থেকে প্রায় ২০০ মণ পেরিলা সংগ্রহের সম্ভাবনা দেখছেন রোকনুজ্জামান, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।
নতুন এ ফসলের খেত দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে আসছেন কৃষকেরা। তাঁরাও স্বপ্ন দেখছেন পেরিলা চাষের। রোকনুজ্জামানের বাড়ি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায়। ২০১২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। একপর্যায়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৯ সালে এলাকায় ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন। সেই সঙ্গে অনলাইনে শুরু করেন ফলের ব্যবসা। রোকনুজ্জামান বলেন, ওই বছরের শেষ দিকে ইন্টারনেট থেকে পেরিলার গুণাগুণ ও চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন।
এরপর সাক্ষাৎ করেন পেরিলা গবেষক আব্দুল কাইয়ুম মজুমদারের সঙ্গে। তাঁর পরামর্শেই পরের বছর তেঁতুলিয়ায় পেরিলার চাষ শুরু করেন। অভিজ্ঞতার অভাব ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেবার আশানুরূপ ফলন পাননি। তবে এবার ভালো ফসল পাবেন বলে আশা করছেন।এ বিষয়ে দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান বলেন, দিনাজপুরের মাটি পেরিলা চাষের জন্য উপযোগী। পেরিলা অন্যান্য ফসলের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবেও চাষ করা যায়। চাষের খরচ কম, রোগবালাইও কম হয়। জেলায় প্রথমবারের মতো একজন এ ফসল চাষ করেছেন। তাঁর বিষয়ে কৃষি বিভাগ আশাবাদী। পর্যায়ক্রমে অন্য চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করা হবে।বলেন, বীজতলা থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতি একরে (১০০ শতকে ১ একর) খরচ হবে ২০-২৫ হাজার টাকা। খেতের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় একরপ্রতি ১৬ মণ পর্যন্ত পেরিলা মাড়াই হবে। এ থেকে তেল উৎপাদন হবে প্রায় ১৮২ লিটার।
নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজুড়ে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

সুপারফুড পেরিলার চাষ হচ্ছে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে

প্রকাশিত সময়: ০২:২৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ নভেম্বর ২০২২

পেরিলা তেল বীজ জাতীয় ফসল। দেখতে অনেকটা শর্ষের বীজের মতো।দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জাপান, নেপাল, ভিয়েতনাম পেরিলার চাষ হয়।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর এলাকায় ১২ একর জমিতে এর চাষ করছেন স্থানীয় যুবক সৈয়দ রোকনুজ্জামান। গত মৌসুমে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ১০ একর জমি বর্গা নিয়ে প্রথম বারের মতো পেরিলার চাষ করেছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের শুরুতে ফসল সংগ্রহ করবেন। ১২ একর জমি থেকে প্রায় ২০০ মণ পেরিলা সংগ্রহের সম্ভাবনা দেখছেন রোকনুজ্জামান, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।
নতুন এ ফসলের খেত দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে আসছেন কৃষকেরা। তাঁরাও স্বপ্ন দেখছেন পেরিলা চাষের। রোকনুজ্জামানের বাড়ি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায়। ২০১২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। একপর্যায়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৯ সালে এলাকায় ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন। সেই সঙ্গে অনলাইনে শুরু করেন ফলের ব্যবসা। রোকনুজ্জামান বলেন, ওই বছরের শেষ দিকে ইন্টারনেট থেকে পেরিলার গুণাগুণ ও চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন।
এরপর সাক্ষাৎ করেন পেরিলা গবেষক আব্দুল কাইয়ুম মজুমদারের সঙ্গে। তাঁর পরামর্শেই পরের বছর তেঁতুলিয়ায় পেরিলার চাষ শুরু করেন। অভিজ্ঞতার অভাব ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেবার আশানুরূপ ফলন পাননি। তবে এবার ভালো ফসল পাবেন বলে আশা করছেন।এ বিষয়ে দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান বলেন, দিনাজপুরের মাটি পেরিলা চাষের জন্য উপযোগী। পেরিলা অন্যান্য ফসলের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবেও চাষ করা যায়। চাষের খরচ কম, রোগবালাইও কম হয়। জেলায় প্রথমবারের মতো একজন এ ফসল চাষ করেছেন। তাঁর বিষয়ে কৃষি বিভাগ আশাবাদী। পর্যায়ক্রমে অন্য চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করা হবে।বলেন, বীজতলা থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতি একরে (১০০ শতকে ১ একর) খরচ হবে ২০-২৫ হাজার টাকা। খেতের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় একরপ্রতি ১৬ মণ পর্যন্ত পেরিলা মাড়াই হবে। এ থেকে তেল উৎপাদন হবে প্রায় ১৮২ লিটার।
নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন