ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

newsbijoy24.com

হাতীবান্ধায় চিকিৎসক ও প্রভাষক দম্পতির বিরুদ্ধে তালা ভাঙ্গার অভিযোগ

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাচার গোডাউন ঘরের তালা ভাঙ্গার অভিযোগ পাওয়া গেছে চিকিৎসক লিজা আফসানা, লিজার স্বামী মিয়া মোহাম্মদ রুবেল, প্রভাষক লামিস আফরিন লাবন্য ও তার স্বামী জুয়েলের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার (০৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বন্দর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই রাতেই ওই চারজনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সিরাজুলের (মানসিক রোগী) স্ত্রী তানছিনা আক্তার সুমি।
অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার দক্ষিন পারুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে চিকিৎসক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল(৪০), তার স্ত্রী চিকিৎসক লিজা আফসানা(৩২), একই উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রামের মৃত মোকলেছার রহমানের ছেলে জুয়েল(৪০) ও তার স্ত্রী লাসিম আফরিন লাবন্য(৩৮)। লিজা আফসানা ও লাসিম আফরিন লাবন্য আপন দুই বোন।
মিয়া মোহাম্মদ রুবেল লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্ত্রী লিজা আফসানা পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বলে জানা গেছে। এছাড়া তারা নিয়মিত হাতীবান্ধা হেলথ এন্ড মেডিকেয়ারে রোগী দেখেন। আর জুয়েল ও তার স্ত্রী লাবন্য হাতীবান্ধা সরকারি আলিমুদ্দিন কলেজের প্রভাষক।
জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর ধরে ওই গোডাউন ঘরটি ভোগ দখল করে আসছেন সিরাজুল ইসলাম। গত দুই বছর ধরে সিরাজুল ইসলাম মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা ওই গোডাউন ঘরটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতা গত শুক্রবার রাতে অভিযুক্তরা গোডাউনের তালা ভেঙ্গে নিজেদের নামীয় সাইনবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুমি চিৎকার করলে তাদের অন্যান্য আত্বীয় স্বজনরা ছুটে আসলে তারা সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, জোড় পূর্বক লিজা, রুবেল, লাবন্য ও জুয়েল আমাদের গোডাউনের তালা ভেঙ্গে দখল করে সাইন বোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন। আমি বাধা দিলে তারা শারিরিক ভাবে লাঞ্চিত করে। এ সময় তারা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। পরে আত্বীয় স্বজনরা ছুটে আসলে তারা চলে যায়। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই থানায় অভিযোগ করেছি, সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সিরাজৃুল ইসলামের ভাতিজা রিয়াদ হাসান বলেন, নিজেদের মধ্যে এ ধরনের কাজ মোটেই কাম্য নয়। তারা এভাবে গোডাউনের তালা ভাঙ্গতে পারেন না। তারা নিজের ্আত্বীয় হওয়ার পরেও একের পর এক ঝামেলা করে আসছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল বলেন, আপনি আমার স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানেন? আমি কেন তালা ভাঙ্গতে যাবো। আমার স্ত্রীর জমি সেটি। তাই সেখানে সাইন বোর্ড লাগাতে যাওয়া হয়েছিলো। আমার স্ত্রীও অভিযোগ করেছে।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No description available.

 

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

Nagad-Fifa-WorldCup

শনিবার বিএনপি’র ১০ দফায় যা থাকছে

হাতীবান্ধায় চিকিৎসক ও প্রভাষক দম্পতির বিরুদ্ধে তালা ভাঙ্গার অভিযোগ

প্রকাশিত সময়: ০৫:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাচার গোডাউন ঘরের তালা ভাঙ্গার অভিযোগ পাওয়া গেছে চিকিৎসক লিজা আফসানা, লিজার স্বামী মিয়া মোহাম্মদ রুবেল, প্রভাষক লামিস আফরিন লাবন্য ও তার স্বামী জুয়েলের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার (০৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বন্দর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই রাতেই ওই চারজনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সিরাজুলের (মানসিক রোগী) স্ত্রী তানছিনা আক্তার সুমি।
অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার দক্ষিন পারুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে চিকিৎসক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল(৪০), তার স্ত্রী চিকিৎসক লিজা আফসানা(৩২), একই উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রামের মৃত মোকলেছার রহমানের ছেলে জুয়েল(৪০) ও তার স্ত্রী লাসিম আফরিন লাবন্য(৩৮)। লিজা আফসানা ও লাসিম আফরিন লাবন্য আপন দুই বোন।
মিয়া মোহাম্মদ রুবেল লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্ত্রী লিজা আফসানা পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বলে জানা গেছে। এছাড়া তারা নিয়মিত হাতীবান্ধা হেলথ এন্ড মেডিকেয়ারে রোগী দেখেন। আর জুয়েল ও তার স্ত্রী লাবন্য হাতীবান্ধা সরকারি আলিমুদ্দিন কলেজের প্রভাষক।
জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর ধরে ওই গোডাউন ঘরটি ভোগ দখল করে আসছেন সিরাজুল ইসলাম। গত দুই বছর ধরে সিরাজুল ইসলাম মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা ওই গোডাউন ঘরটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতা গত শুক্রবার রাতে অভিযুক্তরা গোডাউনের তালা ভেঙ্গে নিজেদের নামীয় সাইনবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুমি চিৎকার করলে তাদের অন্যান্য আত্বীয় স্বজনরা ছুটে আসলে তারা সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, জোড় পূর্বক লিজা, রুবেল, লাবন্য ও জুয়েল আমাদের গোডাউনের তালা ভেঙ্গে দখল করে সাইন বোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন। আমি বাধা দিলে তারা শারিরিক ভাবে লাঞ্চিত করে। এ সময় তারা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। পরে আত্বীয় স্বজনরা ছুটে আসলে তারা চলে যায়। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই থানায় অভিযোগ করেছি, সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সিরাজৃুল ইসলামের ভাতিজা রিয়াদ হাসান বলেন, নিজেদের মধ্যে এ ধরনের কাজ মোটেই কাম্য নয়। তারা এভাবে গোডাউনের তালা ভাঙ্গতে পারেন না। তারা নিজের ্আত্বীয় হওয়ার পরেও একের পর এক ঝামেলা করে আসছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল বলেন, আপনি আমার স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানেন? আমি কেন তালা ভাঙ্গতে যাবো। আমার স্ত্রীর জমি সেটি। তাই সেখানে সাইন বোর্ড লাগাতে যাওয়া হয়েছিলো। আমার স্ত্রীও অভিযোগ করেছে।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No description available.