ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন : প্রধানমন্ত্রী

জনগণের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২০২৩ এর পরই ২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনেও আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। ’

বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপস্থিত সবাই আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন—এমন ওয়াদা চান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি নৌকায় ভোট দেবেন? আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করেন দেবেন কিনা?’

তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।’

এ সময় নেতাকর্মীরা হাত তুলে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার ওয়াদা করেন। ওয়াদা করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ’

ক্রীড়ার উন্নয়নে আওয়ামী লীগের কৃতিত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজারে ফুটবল খেলার জন্য পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্স করা হবে। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে আরও উন্নত করা হবে।

কক্সবাজারের মানুষ সবসময় তার হৃদয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিকল্পিত পর্যটন শহর করতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি। সময় আসবে সিঙ্গাপুর থেকে সুন্দর জায়গায় পরিণত হবে মহেশখালী। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় আরও দুটি বিশেষ অঞ্চল করা হবে। উন্নয়নই হবে আমাদের সার্বক্ষণিক চিন্তাধারা।

জোট সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জামায়াত-বিএনপি এ দেশের মানুষকে কী দিয়েছে? দুর্নীতি, পাচার ইত্যাদি তারা পারে। অস্ত্র চোরা কারবারে সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি। বিএনপি মানুষ মারার দল। আগুন নিয়ে খেলা করে তারা। তারা কিছুই দেয়নি। সব লুটে খেয়েছে। মানুষের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। লেখাপড়া ধ্বংস করে দিয়েছিল। আমরা ৪৫ থেকে ৭৫ শতাংশ স্বাক্ষরতার হারে উন্নীত করেছি। গ্রামপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা আমরাই দিয়েছি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাবা-মা সব হারিয়েছি। আমার চাওয়া পাওয়া বলতে কিছুই নেই। কারো স্নেহ পাইনি। কাজেই আপনাদেরকেই আমার আপনজন মনে করি। যত দূরেই থাকেন, আপনারা আমার হৃদয়ে আছেন। কাছেই আছেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটা গ্রামের লোকই শহরের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে। সে জন্য সড়কপথ, রেলপথ উন্নয়ন করে দিচ্ছি। আরও অনেক কাজ বাকি। তার জন্য আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনা দরকার।

জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ‌এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য দেন। দলীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কক্সবাজারে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং চারটির ভিত্তিপ্রস্তর করেন সরকারপ্রধান। বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার ও মহেশখালীতে আরও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও প্রতিশ্রুতি দেন।

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy24

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

Nagad-Fifa-WorldCup

ইতিহাসের এই দিনে: ৩১ জানুয়ারি-২০২৩

google.com, pub-9120502827902997, DIRECT, f08c47fec0942fa0

২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময়: ০৯:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

জনগণের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২০২৩ এর পরই ২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনেও আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। ’

বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপস্থিত সবাই আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন—এমন ওয়াদা চান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি নৌকায় ভোট দেবেন? আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করেন দেবেন কিনা?’

তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।’

এ সময় নেতাকর্মীরা হাত তুলে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার ওয়াদা করেন। ওয়াদা করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ’

ক্রীড়ার উন্নয়নে আওয়ামী লীগের কৃতিত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজারে ফুটবল খেলার জন্য পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্স করা হবে। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে আরও উন্নত করা হবে।

কক্সবাজারের মানুষ সবসময় তার হৃদয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিকল্পিত পর্যটন শহর করতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি। সময় আসবে সিঙ্গাপুর থেকে সুন্দর জায়গায় পরিণত হবে মহেশখালী। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় আরও দুটি বিশেষ অঞ্চল করা হবে। উন্নয়নই হবে আমাদের সার্বক্ষণিক চিন্তাধারা।

জোট সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জামায়াত-বিএনপি এ দেশের মানুষকে কী দিয়েছে? দুর্নীতি, পাচার ইত্যাদি তারা পারে। অস্ত্র চোরা কারবারে সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি। বিএনপি মানুষ মারার দল। আগুন নিয়ে খেলা করে তারা। তারা কিছুই দেয়নি। সব লুটে খেয়েছে। মানুষের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। লেখাপড়া ধ্বংস করে দিয়েছিল। আমরা ৪৫ থেকে ৭৫ শতাংশ স্বাক্ষরতার হারে উন্নীত করেছি। গ্রামপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা আমরাই দিয়েছি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাবা-মা সব হারিয়েছি। আমার চাওয়া পাওয়া বলতে কিছুই নেই। কারো স্নেহ পাইনি। কাজেই আপনাদেরকেই আমার আপনজন মনে করি। যত দূরেই থাকেন, আপনারা আমার হৃদয়ে আছেন। কাছেই আছেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটা গ্রামের লোকই শহরের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে। সে জন্য সড়কপথ, রেলপথ উন্নয়ন করে দিচ্ছি। আরও অনেক কাজ বাকি। তার জন্য আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনা দরকার।

জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ‌এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য দেন। দলীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কক্সবাজারে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং চারটির ভিত্তিপ্রস্তর করেন সরকারপ্রধান। বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার ও মহেশখালীতে আরও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও প্রতিশ্রুতি দেন।